সাধারণ সদস্যপদের বাইরে, যারা নিয়মিত বড় অঙ্কের বাজি ধরেন তাদের জন্য Livescore তৈরি করেছে হাই রোলার প্রোগ্রাম। উচ্চতর বোনাস, অসীম উইথড্র লিমিট ও ডেডিকেটেড পার্সোনাল ম্যানেজার — সব কিছু এক জায়গায়।
আপনার বেটিং ভলিউম অনুযায়ী স্তর নির্ধারিত হয়, সুবিধাও বাড়ে সাথে সাথে
Livescore-এ VIP হওয়ার মানে শুধু বেশি বোনাস নয়, পুরো অভিজ্ঞতাটাই আলাদা
গোল্ড ও ডায়মন্ড সদস্যরা মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্র পান। লাইনে দাঁড়ানোর দিন শেষ।
প্রতি সপ্তাহে আপনার মোট বেটের উপর নির্ধারিত হারে ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়, জিতলে বা হারলে উভয় ক্ষেত্রেই।
গোল্ড থেকে উপরের সদস্যরা একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পান যিনি সরাসরি যোগাযোগ করা যায়।
সাধারণ সদস্যদের তুলনায় হাই রোলাররা অনেক বেশি পরিমাণে বাজি ধরতে পারেন প্রতিটি ইভেন্টে।
আপনার বেটিং প্যাটার্ন ও পছন্দ অনুযায়ী কাস্টমাইজড বোনাস অফার তৈরি করা হয়। একটাই অফার সবার জন্য নয়।
VIP সদস্যদের জন্য আলাদা টুর্নামেন্ট ও ইভেন্ট থাকে যেখানে পুরস্কারের পরিমাণ অনেক বেশি।
প্রতি ক্যালেন্ডার মাসের মোট ডিপোজিটের ভিত্তিতে আপনার স্তর নির্ধারিত হয়। মাস শেষে হিসাব হয় এবং পরের মাসের শুরুতে নতুন সুবিধা সক্রিয় হয়।
কোন স্তরে কী সুবিধা — একনজরে দেখুন
| সুবিধা | স্ট্যান্ডার্ড | ব্রোঞ্জ | সিলভার | গোল্ড | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | — | ৫% | ১৫% | ৩০% | ৫০% |
| উইথড্র সময় | ১–২৪ ঘণ্টা | ৩০ মিনিট | ৩০ মিনিট | ১৫ মিনিট | তাৎক্ষণিক |
| দৈনিক উইথড্র লিমিট | ৳৩০,০০০ | ৳১ লাখ | ৳৫ লাখ | ৳২০ লাখ | অসীম |
| পার্সোনাল ম্যানেজার | |||||
| কাস্টম বোনাস | |||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | |||||
| উচ্চতর বেটিং লিমিট | |||||
| জন্মদিনের বোনাস | |||||
| বিশেষ ইভেন্ট আমন্ত্রণ |
অনেকের ধারণা, হাই রোলার প্রোগ্রাম শুধু কোটিপতিদের জন্য। আসলে বিষয়টা ঠিক তেমন নয়। Livescore-এ মাসে মাত্র ৫০ হাজার টাকা ডিপোজিট করলেই আপনি ব্রোঞ্জ স্তরে পৌঁছে যাবেন এবং অতিরিক্ত সুবিধা পেতে শুরু করবেন। অর্থাৎ, নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্যও এই প্রোগ্রাম খোলা।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে, আর সেই সাথে বাড়ছে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের সংখ্যাও। যারা শুধু মাঝে মাঝে খেলেন তাদের জন্য সাধারণ সুবিধাই যথেষ্ট। কিন্তু যারা ক্রিকেট, ফুটবল বা ক্যাসিনোতে নিয়মিত এবং বড় অঙ্কের বাজি ধরেন, তাদের জন্য Livescore একটু বেশিই দিতে চায়।
হাই রোলার প্রোগ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় সুবিধা হলো ক্যাশব্যাক। ধরুন আপনি সপ্তাহে মোট ১ লাখ টাকার বাজি ধরলেন। গোল্ড স্তরে থাকলে ৩০% হারে ৩০ হাজার টাকা ক্যাশব্যাক পাবেন — সরাসরি অ্যাকাউন্টে। এটা জিতুন বা হারুন, ক্যাশব্যাক আসবেই। এই সুবিধাটা আসলে ঝুঁকির একটা অংশ কমিয়ে দেয়।
পার্সোনাল ম্যানেজারের বিষয়টা অনেকে হয়তো ভাবেন না, কিন্তু এটা বাস্তবে অনেক কাজের। বড় ম্যাচের আগে বিশেষ অফার জানতে চাইলে, হঠাৎ উইথড্রয়ে কোনো সমস্যা হলে বা বড় বাজির লিমিট বাড়ানো দরকার হলে — সরাসরি ম্যানেজারের সাথে কথা বলে সমাধান পাওয়া যায়। লাইভ চ্যাটে লাইনে দাঁড়াতে হয় না।
ডায়মন্ড স্তর সম্পর্কে আলাদা করে বলতে হয়। এটা আমন্ত্রণ-ভিত্তিক, মানে আপনি চাইলেই পৌঁছাতে পারবেন না। Livescore টিম দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয়, নির্ভরযোগ্য এবং উচ্চ-ভলিউমের খেলোয়াড়দের বেছে আমন্ত্রণ জানায়। ডায়মন্ড সদস্যরা অসীম উইথড্র লিমিট পান, যার মানে যেকোনো পরিমাণ তুলতে পারেন যেকোনো সময়। এই স্তরে পৌঁছানো একটা সম্মানের বিষয়।
সব মিলিয়ে, Livescore-এর হাই রোলার প্রোগ্রামটা এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে নিয়মিত খেলোয়াড়রা স্বাভাবিকভাবেই উপরের দিকে উঠতে পারেন। জোর করে বেশি ডিপোজিট করার দরকার নেই — আপনার সাধারণ রুটিন মেনে চললেই সময়ের সাথে স্তর বাড়বে এবং সুবিধাও বাড়বে।
হাই রোলার প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছেন যারা, তারা কী বলছেন
গোল্ড স্তরে আসার পর পার্সোনাল ম্যানেজার পেলাম। বিশ্বকাপের ম্যাচে বিশেষ অফার ছিল যেটা অন্যরা পায়নি — সেটা পাওয়াটা সত্যিই ভালো লেগেছে।
সিলভারে আসার পর উইথড্র অনেক দ্রুত হয়ে গেছে। আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতাম, এখন ৩০ মিনিটেই হয়ে যায়। এই একটা পার্থক্যই অনেক বড়।
প্রতি সোমবার ক্যাশব্যাক আসে — এটা একটা নিয়মিত আয়ের মতো হয়ে গেছে। Livescore-এ থাকার সবচেয়ে বড় কারণ এই প্রোগ্রামটাই।
হাই রোলার প্রোগ্রাম নিয়ে যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি আসে